আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি রাজ্যের মধ্যে প্রবল যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয়। আগে থেকেই তাদের মধ্যে মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব বিরাজমান ছিল। দুই শক্তির দ্বন্দ্বের কারণে সমগ্র অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। শেষপর্যন্ত একটি শক্তির পতনের মধ্য দিয়ে এর অবসান ঘটে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধটি হলো স্নায়ুযুদ্ধ। ১৯৪৫-১৯৫০ সাল পর্যন্ত সময়কাল স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায়।
১৯৪৫-১৯৫০ সাল পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধের সাথে জড়িত ঘটনাবলির মধ্যে ছিল ট্রুম্যানের নীতি, মার্শাল পরিকল্পনা, বার্লিন সংকট ও ন্যাটো জোট গঠন। ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ট্রুম্যানের ভাষণের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিরোধের নীতি ঘোষিত হয়। ট্রুম্যান ঘোষণা করেন যেসব স্বাধীন দেশের মানুষ অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু এবং বাইরের চাপ প্রতিরোধ করছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাহায্যে এগিয়ে যাবে। তার এ ঘোষণা সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিপন্থি ছিল। এ অবস্থায় স্নায়ুযুদ্ধ থেকে ২০° তে উন্নীত হয়।
১৯৪৭ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জর্জ সি. মার্শাল ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন সম্পর্কে মতুন নীতি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলে, ইউরোপকে অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্মসূচি গ্রহণ করবে। মার্শালের বক্তব্যের মাধ্যমে সোভিয়েত বিরোধিতা ফুটে উঠেছে। ১৯৪৯ সালে বার্লিনের অবরোধকে কেন্দ্র করে স্নায়ুযুদ্ধের পরিবেশ ঘনীভূত হয়েছিল। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক দিক থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে অবরোধ করে রাখার নীতি কার্যকর করার জন্য NATO গঠন করেছিল। NATO গঠনের মাধ্যমে স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?